জাদুকরী বা ডাইনিদের মধ্যে সবচেয়ে সুপরিচিত ১০ নারী

এই দিনগুলোতে, যখন আমরা “জাদুকরী-শিকার” শব্দটি শুনি তখন রূপকার্থে শব্দটিকে ভাব প্রকাশ করতে এটিকে আমরা একটি ঘৃণ্য অভিযানের সাথে তুলনা করি। মাত্র কয়েক শতক পিছনে গেলে আমরা দেখবো, আক্ষরিক অর্থে তখন ইউরোপে জাদুকরী শিকার করা হতো। ১৭ শতাব্দীতে, আমেরিকাতে বসবাসকারী ঔপনিবেশিকরা বিভিন্ন মানুষকে যাদুবিদ্যার জন্য অভিযুক্ত করেছিল, এবং সে সময় এই অভিযোগে প্রায় মহিলাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হতো, পুড়িয়ে দেওয়া হতো, অথবা ডুবিয়ে মারা হত। এর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় কেসটি ছিল “সালেম ডাইনির বিচার”। যদিও যে কারণে অভিযোগ উঠেছিল সেটিকে বর্তমানে মৃগী রোগ বলা হয় কিন্তু এই সামান্য কারণে মোট ২০ জনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। এই জাদুকরী মুলত কারা ছিল এবং তার কি কাজের জন্য অভিযুক্ত হয়েছিল? আসলে পৃথিবীতে জাদুকরী বা ডাইনীর কি অস্তিত্ত্ব আছে? এর পেছনে কোন উপযুক্ত প্রমাণ কি আছে? প্রথমত, আমরা সমগ্র ইতিহাস জুড়ে জাদুকরীর ব্যাপারটি খুঁজে দেখবো। তবে, এর আগেই আমাদের জেনে রাখা দরকার, এখনো পৃথিবীর কিছু কিছু অংশে জাদুকরী শিকার করা হয়। সেই দেশগুলো হলো উপ-সাহারান আফ্রিকা,ভারত, নেপাল, পাপুয়া নিউ গিনি এবং সৌদি আরব। আমরা এখানে শুধুমাত্র অভিযুক্ত জাদুকরী এবং তাদের দেশ নিয় আলোচনা করবো না, আমরা এই আলোচনায় এই বিদ্যার পেছনে তাদের কতটুকু শ্রম দিতে হয়েছে সে সম্পর্কেও জানবো। ঠিক আছে, তাহলে এখন আমরা জাদুকরীদের ইতিহাস জানবো।

এলিস ক্যাটেলার

এলিস ক্যাটেলার হলেন ইউরোপের, বিশেষ করে আয়ারল্যান্ডের প্রথম তালিকাভুক্ত জাদুকরীদের মধ্যে একজন। এটি ছিল ১৩  শতাব্দীর ঘটনা, এই মহিলা চার বার বিয়ে করেন যেটি কিছু অস্বাভাবিক ছিলো। তার এক স্বামীকে তিনি জাদু করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়া সবার উপরে তাকে অভিযুক্ত করা হয় শয়তানের সাথে যোগযোগ রাখার জন্য। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে করা আরো কিছু অভিযোগ হলো -পশু বলিদান, খ্রিস্টানদের মাথা নষ্ট করা, এবং শয়তানের সাথে ঘুমানো। শুনা যায় তিনি নাকি শয়তানকে বিয়ে করেছিলেন, তবে তার আগে দেশটির কর্তৃপক্ষ তাদের কোন ক্ষতি করার পূর্বেই তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাকে এরপর আর কখনো দেখা যায় নি। দূর্ভাগ্যবশতঃ তার দাসী ধরা পড়ে গিয়েছিল, এবং অবাক হওয়ার কিছু নেই, উপরে উল্লেখিত সব অপরাধের সাথে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করার পূর্ব পর্যন্ত তাকে অনেক নির্যাতন করা হয়। তার সাক্ষ্য মোতাবেক এলিস একজন দৃষ্টান্তমূলক জাদুকরী ছিলেন, শয়তানকে আহ্বান করার জন্য তিনি রান্না করতেন জমাট বাধা রক্ত, পশুর নাড়ীভুঁড়ি, বালকের কাপড়, ডাকাতের মাথা, মাকড়সা, কৃমি, স্করপিয়ন এবং কিছু লতাপাতা। আমরা কিন্তু জানি না তিনি কেমন করে স্কটল্যান্ডের মত দেশে স্করপিয়ন সংগ্রহ করেছিলেন। এই দাসীকে পুড়িয়ে মারা হয় এবং সেদেশে এই ধরনের অপরাধের জন্য এরকম মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তদের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম।

ইসোবেল গউডি

এই জাদুকরী নিজেই বলতেন যে তিনি একজন জাদুকরী এবং তিনি কোন কিছু অস্বীকার করেন নি। প্রকৃতপক্ষে তিনি এই দিকে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন। স্কটল্যান্ডে তিনি তার অভিযুক্তদের বলেছিলেন, তিনি শয়তানদের সভার একজন সদস্য এবং তিনি শয়তানদের দলে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। স্পষ্টতই, তিনি তার সাথে শয়তানের সম্পর্কের ব্যাপারে একদম খুলাখুলি বলতেন। এক সময় তাকে তার প্রতিবেশী এবং কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করেছিল, কিন্তু তখন কেউ মুখ খুলে নি। কিন্তু যখন তাকে গ্রেফতার করা হয় তখন সবাই সব কিছু খুলে বললেন। তারা বলেন, গউডি মানুষের বাড়ির উপর উড়তে পারতেন, পাখি, বিড়াল অথবা খরগোশ এর রূপ ধারণ করতে পারতেন, মানুষের উপর জাদু প্রয়োগ করতেন, ফসল ধ্বংস করতেন, মোটামুটি বলতে গেলে একজন ডাইনীর যে ক্ষমতা ছিল তার সবগুলোই তার ছিল। মনে করা হয় তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছিল, যদিও এইটির পেছনে কোন যুক্তি দাঁড় করানোর মত কোন রেকর্ড এই পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। সে সময় যুক্তিবাদীরা এটা স্বীকার করতো যে তিনি আসলে জাদুকরী ছিলেন না, বরং তিনি মনোব্যাধিতে ভুগছিলেন। সংক্ষেপে, ফাংগাস বিষক্রিয়ার কারণে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করতেন।

মার্গা বিয়েন

এবার আমরা যাকে নিয়ে আলোচনা করব তিনি জার্মানির সর্বাধিক বিখ্যাত জাদুকরী, মার্গা বিয়েন। জার্মানিতে যখন ফুলডা নামক জাদুকরীর বিচারকার্য চলছিল (১৬০৩ থেকে ১৬০৫) তখন তাকে হত্যা করা হয়। তাকে অতিপ্রাকৃত শ্ত্রুদের মধ্যে ১ নাম্বার বলে মনে করা হত। তাকে আরো ২০০ অভিযুক্তদের সাথে পুড়ানো হয়েছিল, এবং সবচেয়ে খারাপ লাগার মতো বিষটি ছিল, তাকে যখন পুড়ানো হয় তখন তিনি গর্ভবতী ছিলেন। কর্তৃপক্ষগন বলেন যে, এটা ঠিক ছিল, কারণ সে শয়তানের বাচ্চা বহন করছিল। মনে করা হতো তিনি শয়তানের শক্তির সাহায্যে তার স্বামী, তাদের সন্তান, এবং সে বাড়িতে কাজ করা কিছু দূর্ভাগা ব্যক্তিদের খুন করেছিলেন। তাকে জোর করে তার সাথে শয়তানের সম্পর্ক আছে বলে স্বীকারোক্তি দিতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সে সুযোগ গ্রহণ করেননি

ম্যারি ক্যাথেরিন ল্যাভ্যাউ

চলুন এবার আরো আধুনিক এক জন জাদুকরী এবং তার সুখী সমাপ্তির কথা নিয়ে আলোচনা করি। এই গল্পটি হলো ম্যারি ক্যাথেরিন ল্যাভ্যাউ ওরফে নিউ অর্লিন্স এর ভুডু রাণীর। হ্যাঁ, তিনি ভুডু (এক ধরনের জাদুবিদ্যা) চর্চা করতেন, কিন্তু বলা হয় যে তিনি ছিলেন একজন কেশবিন্যাসকারী। তার সম্পর্কে এ পর্যন্ত যা শোনা যায় সেগুলো নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। কিছু কিছু মানুষের মতে তিনি মানুষের মন পড়তে পারতেন, লোকজনকে আরোগ্য করতেন, এবং ভুডুর পুতুলে পিন বিদ্ধ করতেন। এটি হলিউডের বর্ণনার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন, কারণ ভুডুর রীতিনীতি অনুযায়ী এই ধরনের পিন ব্যবহার করা হয় শুধুমাত্র মানুষকে আরোগ্য করার জন্য অথবা ইতিবাচক কোন শক্তি তৈরি করার জন্য। তাহলে, তিনি কি একজন জাদুকরী বা ডাইনী ছিলেন? যদিও তিনি তাই হয়ে থাকেন, তাও বলতে হয় তিনি তার গ্রাহকদের হৃদয় জয় করতে পেরেছিলেন।

এগ্নেস স্যাম্পসন

এগ্নেস স্যাম্পসনকে অনেক নিষ্ঠুরভাবে মারা হয়েছিল। ১৫৯০ সালে সবচেয়ে বড় বিচারকার্য নর্থ বারউইক বিচারকার্যে এই মহিলাদে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। এগ্নেসকে ছিলে দলের সর্দার, তার দৈনন্দিন কাজ ছিল ধাত্রীর কাজ এবং মানুষের চিকিৎসা করা। তাকে শয়তানের দলে যোগ দেওয়ার অভিযুক্ত করা হয়। তাকে আরো অভিযুক্ত করা হয় ইংল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জেমস এর রানী অ্যান এর জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঝড় ডেকে আনার প্রার্থনার কারণে। এই জন্য তাকে জীবিত পুড়িয়ে মারা হয়।

ক্যাথেরিন মনভয়িসিন

ফ্রান্সের মধ্যেই এমন একজন ছিলেন যিনি স্পষ্টত জাদুকরী ছিলেন, তার নাম ছিল ক্যাথেরিন মনভয়িসিন। এই জাদুকরী সর্বপ্রকার যাদুবিদ্যা বিক্রি করতেন। তার মধ্যে ছিল গর্ভপাত করানো বিদ্যা, অথবা মানুষকে নিজের প্রেমে ফেলার যাদুবিদ্যা।এছাড়াও তিনি মারাত্মক বিষ তৈরি করেছিলেন যা দ্বারা হাজার খানেক মানুষ হত্যা করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়। তাকে তার জাদুবিদ্যার জন্য দোষারোপ করা হয় এবং শাস্তি স্বরুপ ১৬৮০ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী তাকে পুড়িয়ে মারা হয়।

এঞ্জেল দে লা বার্থে

এখন ফ্রান্স এর কথায় আসি, এবং এইবার এই অভিযুক্ত মানুষটি এসেছিলেন একটি ধনী পরিবার থেকে। মনে করা হয় ১২৭৫ সালের এক বিচারে তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়, কিন্তু এর আগে তাকে তার সব ধরনের জাদুবিদ্যার জন্য অভিযুক্ত করা হয়, এবং তার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল তিনি শয়তানের সাথে ভালোবাসায় জড়িয়ে পরেন এবং শয়তানের সাহায্যে গর্ভবতী হন। তার সদ্য জন্মগ্রহণ করা নবজাতক এর মাথা ছিল নেকড়ের মাথার মতো, এবং বাচ্চাটির একটি সাপের মত লেজ ছিল। এই ব্যাপারটি নিয়ে গ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তারা আরো মনে করত, এই শয়তানের বাচ্চাটির প্রধান খাবার ছিল মায়ের কোল থেকে হওয়া মৃত সন্তান। ফ্রান্স এর পণ্ডিতগণ এর মতে এই পুরো গল্পটি বানোয়াট, এবং ১৫ শতাব্দীতে এই গল্পটি কেউ একজন রটিয়েছিল।

ফ্লোরেন্স নিউটন

আয়ারল্যান্ডের ইউগ্যাল (Youghal) এ আমরা একজন তথাকথিত ডাইনী বা জাদুকরী খুঁজে পাই যার নাম ছিল ফ্লোরেন্স নিউটন। সে একজন ভিক্ষুক ছিল। ১৬৬০ সালে সেএক অভিজাত মানুষের ঘরে ভিক্ষা করতে গিয়ে ভুলটা করেছিল। বাড়ির গৃহকর্মী তাকে ভিক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, এবং সে জন্য নিউটন তাকে অভিশাপ দেয় বলে শুনা যায়। এতে, গৃহকর্মী সাথে সাথে মূর্ছা যান, এবং তাকে নিচে ধরে রাখার জন্য বেশ কয়েকজন পুরুষ মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। এই গল্পটির বর্ণনা দিয়ে গিয়ে আইরিশ টাইমস লিখেছিল যে নিউটনের অভিশাপের কারণে গৃহকর্মী  সুই, পিন, সুতা এবং খড় বমি করতে শুরু করেছিল। এতে করে নিউটনকে জাদুকরী বা ডাইনীর অভিযোগে কারাবন্দী করা হয়, সেখানেও সে এক কারা রক্ষক কে অভিশাপ দেয় এবং সে কারা রক্ষক মারা যায়। অনেক লোক আবার এগিয়ে এসে বলেন, তারা এই মহিলাকে আকাশে ভাসতে দেখেছেন, তার শরীর থেকে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। যখন কারাগারে তার জাদুবিদ্যার তদন্ত চলছিল তখন তাকে পৈচাশিকভাবে অত্যাচার করা হয়। এরপর অবশ্য তার ভাগ্যে কি ঘটেছিল তা কেউ জানে না।

মাদার শিপটন

এই কেসটি ছিল ইয়র্কশায়ারের এক বালিকাকে নিয়ে। এই মেয়েটি ১৫ শতাব্দীতে একটি গুহায় জন্মগ্রহণ করে। আপনি চাইলে সে গুহাটি এখনও পরিদর্শণ কর আসতে পারবেন। বলা হয় যে মেয়েটি দেখতে অনেক কুৎসিত ছিল, সে যখন জন্ম নিয়েছিল আঙ্গুলগুলো মোচড়ানো অবস্থায় ছিল, পা বাকা ছিল, তার মাথা প্রয়োজনের চেয়ে বড় আকারের ছিল, এবং তার মুখ ভর্তি ফোঁড়া ছিল। গ্রামবাসীরা এটি ধরনের রোগ তা বের করতে পারলো না, কিন্তু তারা বলাবলি শুরু করেছিল যে, সে ছিল শয়তানের বাচ্চা। তার সামর্থ্যের মধ্যে ছিল কোন কিছুর ভবিষ্যত বলতে পারার ক্ষমতা। লোক-মুখে শোনা যায়, সে অনেক ভবিষ্যদ্বাণীপূর্ণ আয়াত লিখেছিলেন। এমনকি লোকে বলে যে, লন্ডন শহরের বড় আগুণের ব্যাপারে তিনি পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তিনি কুৎসিত অবস্থায় ৭৩ বছর বয়সে মারা যান। বর্তমানে তার করা ভবিষ্যৎবাণী গুলো অতিরঞ্জিত ছিল বলে মনে করা হয়।

সালেম ডাইনী বা জাদুকরী

এটি ১০ নাম্বারে রয়েছে, কারণ এখানে শুধুমাত্র একজন নয়, অনেক জাদুকরী বা ডাইনী এর সাথে জড়িত ছিল, এবং এদের মধ্যে অবশ্য কেউ এই বিশ্বের বাইরে কোন কিছুই করে নি। এই বিচারটি হয়েছিল ম্যাসাচুয়েটস এ ১৬৯২ সাল এবং ১৬৯৩ সালের মধ্যে, এবং এতে ২০০ মানুষকে জাদুকরী বা ডাইনী বলে অভিযুক্ত করা হয়। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন দুইজন যুবতী বালিকা মূর্ছা যেতে শুরু করলো এবং শরীর মুচড়াতে লাগলো। মুভিতে যখন কাউকে কোন অপশক্তি বশ করে তখন সে যেমন আচরণ করে দৃশ্যটি দেখতে ঠিক তেমন ছিল। এই ব্যাপারটি আস্তে আস্তে অন্যান্য মেয়েদের মাঝেও সংক্রমিত হতে শুরু করলো। আধুনিক ভাষায় এটিকে আমরা গণ মৃগীরোগ বলতে পারি।

 আজকের বিশ্বে এটি অজানা কোন বিষয় নয়। কিন্তু, তখনকার সময়ের এক ডাক্তার বলেছিলেন, এটি শয়তানের কাজ ছিল, এবং এজন্য অন্যান্য মেয়েরা সালেম নামের বৃদ্ধা মহিলাকে তাদের শরীরে অভিশাপ প্রেরণ করার জন্য দোষারোপ করতে লাগলো। ঐ মহিলা তার বিরুদ্ধে করা এই অভিযোগকে নাকচ করে দিয়েছিল, কিন্তু অভিযুক্তদের মধ্যে একজন এই ব্যাপারটিকে বাকি সবার জন্য খারাপ করে তুলেছিল। সে বলেছিল, শয়তান তার কাছে এসেছিল এবং তার সেবার করার জন্য আদেশ করেছিল। এতে করে, আরো অভিযোগ যুক্ত হলো, ঘটনা আরো প্যাঁচানো হলো, এবং আরো বেশী লোকের শাস্তি হলো। শেষ পর্যন্ত ২০ জনকে মেরে ফেলা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে বিচারকরা স্বীকার করেছিল এটি বিচারকার্য সম্পূর্ণ ভুল ছিল। আর এই কারণে এই বিচারকার্য সালেম এর ট্রাজেডি নামে পরিচিত ছিল।

সুতরাং, এরা হলো পৃথিবীর কয়কজন জাদুকরী মাত্র। আপনি কি এই তালিকায় আর কাউকে যোগ করতে পারবেন? আপনার কি এমন কোন আত্মীয় আছে যাকে জাদুকরী বলে গুজব রটানো হয়েছে? দয়া করে আমাদের কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন।

সকল মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন