৬ মাস বয়সের শিশুদের অবশ্যই মুরগীর মাংসের খিচুড়ি খেতে দিন-রেসিপি

রেসিপির বর্ণনা এবং পুষ্টিগুণ : মুরগীর মাংসের খিচুড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে চাল, মসুর ডাল, মুরগীর মাংস, সবজি এবং তেল, এই খাবারে শিশুদের চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট শক্তি পাওয়া যায়। চাল ও ডাল মিশানোর ফলে এর আমিষের গুণগত মান অনেক বেড়ে যায়। মুরগীর মাংস থেকে আমিষ এবং অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিড মিথিওনিন পাওয়া যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়। রেসিপিটিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ভিটামিন, খনিজ লবণ ও খাদ্য আঁশ এর চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। ব্যবহৃত তেল খাবারটির শক্তির ঘনত্ব বৃদ্ধি করে এবং এটি গাজর হতে প্রাপ্ত বিটা ক্যারোটিনের শোষণকে ত্বরান্বিত করে। প্রস্তুত প্রণালী:

ধাপ-১

মুরগীর মাংস ভালোমত পরিষ্কার করে, ধুয়ে ছোট করে কেটে নিতে হবে।

মুরগীর মাংসের খিচুড়ি রান্নার জন্য যে পরিমাণ উপাদান ব্যবহার করবেন :

চাল: ৪০ (গ্রাম) ১ ও ১/৩ মুঠ

মসুরের ডাল: ১০ (গ্রাম) ১/৩ মুঠ

মুরগীর মাংস (হাড় ছাড়া) : ২০ (গ্রাম) 

গাজর: ১০ (গ্রাম) ১ পিস

বরবটি: ৫ (গ্রাম) ১ পিস

পেঁয়াজ: ২০ (গ্রাম) ১টি 

তেল: ১০ (গ্রাম) ২ চা চামচ

মশলা আদা রসুন বাটা ও হলুদ গুঁড়া: পরিমাণ মত দিবেন

পানি: ৩৭০ (গ্রাম) ১ ও ২/৩ গ্লাস 

ধাপ-২

চাল এবং ডাল ভালোমত পরিষ্কার করে ধুয়ে ফুটানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ভালোমত পানি ঝরিয়ে নিন। সব সবজি ও পেঁয়াজ ভালোমত ধুয়ে কেটে নিন। 

ধাপ-৩

একটি রান্নার পাত্রে তেল গরম করুন, তেল গরম হলে এতে পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা এবং হলুদের গুঁড়া দিন।

ধাপ-৪

পেঁয়াজ এবং মসলা সামান্য ভেজে এতে মাংসের টুকরাগুলো দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। এবার এতে চাল-ডালের মিশ্রণ ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। স্বাদ অনুযায়ী সামান্য লবণ যোগ করুন। আবারও আল্প আঁচে কিছুক্ষণ (১-২ মিনিট) নাড়াচাড়া করুন। চাল-ডাল সামান্য ভাজা হলে এতে প্রয়োজনমত পানি (সম্ভব হলে গরম পানি) যোগ করুন এবং রান্না হওয়ার জন্য পাত্রটি একটি পরিষ্কার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।

ধাপ-৫

চাল এবং ডাল অর্ধেক সিদ্ধ হয়ে এলে এতে সবজিগুলো ঢেলে দিন। ভালোমত নাড়াচাড়া করুন। যাতে সবগুলো উপকরণ একসাথে মিশে যায়। পাত্রটি আবারও ঢেকে দিন। সবগুলো উপকরণ ভালোমত সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে খিচুড়ি চামচ দিয়ে সামান্য চটকিয়ে নরম করে নিন এবং শিশুকে পরিবেশন করুন।

নূন্যতম খাদ্য বৈচিত্র (খাদ্য শ্রেণীর সংখ্যা): ৫ (শস্য+ডাল + মাংস + ভিটামিন এ সমৃদ্ধ শাক-সবজি+অন্যান্য সবজি) এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল দিয়ে রান্ন করা। আয়রন/ লৌহের উৎস: মসুর ডাল। 

সকল মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন